ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
খবর ধারা :
মেয়র মনোনয়ন ও জনসহানুভূতি আদায়ে, বারবার অনুরোধেও জামিন নেননি খিজির, অতঃপর গ্রেফতার বড়লেখা-জুড়ীতে রাস্তা ও জনকল্যাণমূলক কাজে এমপি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর বিশেষ অনুদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে বড়লেখায় বিএনপির মিছিল ও পথসভা বড়লেখায় ডিসির আদেশ তোয়াক্কা না করে চলছে অবৈধ ইটভাটা! জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’ স্লোগানে বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল বড়লেখা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হলেন বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন এমপি মিঠুর উপস্থিতিতে বড়লেখায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন জোড়া খুন মামলার আসামি জামায়াত নেতা সামছুল ইসলাম গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ হাকালুকির গুপ্তধন! পিট কয়লা উত্তোলনে সংসদে সরব এমপি নাসির উদ্দিন আহমদ আবারও জামায়াতের নেতৃত্বে বড়লেখায় ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন

বাংলাদেশি ও ভারতীয়দের জালিয়াতি রোধে গণভিসা বাতিলের ক্ষমতা চায় কানাডা

খবর ধারা নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

ভারতীয় এবং বাংলাদেশিদের অভিবাসন জালিয়াতি রোধ করতে এই দুই দেশের অভিবাসন প্রত্যাশীদের ভিসা গণহারে বাতিলের ক্ষমতা চায় কানাডার সরকার। গোপন অভ্যন্তরীণ নথির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কানাডীয় সংবাদমাধ্যম সিবিসি।

কানাডার অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সম্প্রতি একটি সরকারি নথির প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠান হয়েছে। নথিটি প্রস্তুত করেছে মন্ত্রনালয়ের অধীন দুই সংস্থা ইমিগ্রেশন, রেফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি), কানাডা বোর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ) এবং একাধিক মার্কিন সংস্থা। মার্কিন সংস্থাগুলোর নাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করেনি সিবিসি।

মার্কিন সংস্থাগুলো সঙ্গে আইআরসিসি এবং সিবিএসএ একটি একটি দাপ্তরিক জোট তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডার কেন্দ্রীয় সরকার। এই জোটের প্রধান কাজ হবে— ভিসার আবেদনকারীদের মধ্যে যারা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে, তাদের শনাক্ত করা এবং আবেদন বাতিল করা।

প্রস্তাবিত সেই দাপ্তরিক জোট যদিও সব দেশের আবেদনকারীদের আবেদন ও নথিপত্র যাচাই করবে, তবে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে বাংলাদেশ ও কানাডার আবেদনকারীদের প্রতি। কারণ অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের নথিতে এ দুই দেশকে ‘কান্ট্রি-স্পেসিফিক চ্যালেঞ্জেস’ ক্যাটাগরিভুক্ত করা হয়েছে।

সাংবিধানিকভাবে যুদ্ধ ও মহামারি, অর্থাৎ বৈশ্বিক জরুরি পরিস্থিতিতে পরিস্থিতিতে গণহারে ভিসা বাতিলের এক্তিয়ার পায় কানাডার কেন্দ্রীয় সরকার। সাম্প্রতিক সেই প্রেজেন্টেশনে এই মর্মে সুপারিশ করা হয়েছে যে ‘কান্ট্রি-স্পেসিফিক চ্যালেঞ্জেস’ ভুক্ত দেশগুলোকেও যেন এই ক্যাটাগরিতে ফেলা হয়।

কানাডার পার্লামেন্টে বিল আকারে প্রেজেন্টেশনটি পাঠানো হয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, শিগগিরই এটি পাস হবে।

এদিকে মাইগ্র্যান্ট রাইটস নেটওয়ার্কসহ কানাডার তিন শতাধিক সিভিয় সোসাইটি সংস্থা এই বিলের ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, বিলটি পাস হলে কানাডার সরকার একটি ‘গণ-ফেরত পাঠানোর মেশিন’-এ পরিণত হবে।

প্রসঙ্গত, ভারত ও বাংলাদেশ থেকৈ কানাডায় আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ২০২৩ সালের মে মাসে ভারত থেকে কানাডায় আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছিলেন ৫০০ জন ভারতীয় নাগীরক। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এই সংখ্যা পৌঁছেছে ২ হাজার জনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশি ও ভারতীয়দের জালিয়াতি রোধে গণভিসা বাতিলের ক্ষমতা চায় কানাডা

আপডেট সময় : ০৯:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

ভারতীয় এবং বাংলাদেশিদের অভিবাসন জালিয়াতি রোধ করতে এই দুই দেশের অভিবাসন প্রত্যাশীদের ভিসা গণহারে বাতিলের ক্ষমতা চায় কানাডার সরকার। গোপন অভ্যন্তরীণ নথির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কানাডীয় সংবাদমাধ্যম সিবিসি।

কানাডার অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সম্প্রতি একটি সরকারি নথির প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠান হয়েছে। নথিটি প্রস্তুত করেছে মন্ত্রনালয়ের অধীন দুই সংস্থা ইমিগ্রেশন, রেফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি), কানাডা বোর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ) এবং একাধিক মার্কিন সংস্থা। মার্কিন সংস্থাগুলোর নাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করেনি সিবিসি।

মার্কিন সংস্থাগুলো সঙ্গে আইআরসিসি এবং সিবিএসএ একটি একটি দাপ্তরিক জোট তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডার কেন্দ্রীয় সরকার। এই জোটের প্রধান কাজ হবে— ভিসার আবেদনকারীদের মধ্যে যারা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে, তাদের শনাক্ত করা এবং আবেদন বাতিল করা।

প্রস্তাবিত সেই দাপ্তরিক জোট যদিও সব দেশের আবেদনকারীদের আবেদন ও নথিপত্র যাচাই করবে, তবে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে বাংলাদেশ ও কানাডার আবেদনকারীদের প্রতি। কারণ অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের নথিতে এ দুই দেশকে ‘কান্ট্রি-স্পেসিফিক চ্যালেঞ্জেস’ ক্যাটাগরিভুক্ত করা হয়েছে।

সাংবিধানিকভাবে যুদ্ধ ও মহামারি, অর্থাৎ বৈশ্বিক জরুরি পরিস্থিতিতে পরিস্থিতিতে গণহারে ভিসা বাতিলের এক্তিয়ার পায় কানাডার কেন্দ্রীয় সরকার। সাম্প্রতিক সেই প্রেজেন্টেশনে এই মর্মে সুপারিশ করা হয়েছে যে ‘কান্ট্রি-স্পেসিফিক চ্যালেঞ্জেস’ ভুক্ত দেশগুলোকেও যেন এই ক্যাটাগরিতে ফেলা হয়।

কানাডার পার্লামেন্টে বিল আকারে প্রেজেন্টেশনটি পাঠানো হয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, শিগগিরই এটি পাস হবে।

এদিকে মাইগ্র্যান্ট রাইটস নেটওয়ার্কসহ কানাডার তিন শতাধিক সিভিয় সোসাইটি সংস্থা এই বিলের ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, বিলটি পাস হলে কানাডার সরকার একটি ‘গণ-ফেরত পাঠানোর মেশিন’-এ পরিণত হবে।

প্রসঙ্গত, ভারত ও বাংলাদেশ থেকৈ কানাডায় আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ২০২৩ সালের মে মাসে ভারত থেকে কানাডায় আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছিলেন ৫০০ জন ভারতীয় নাগীরক। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এই সংখ্যা পৌঁছেছে ২ হাজার জনে।