ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নিয়ে ভাইরাল তথ্য ‘গুজব’
- আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নিয়ে ভাইরাল তথ্য ‘গুজব’
নিজস্ব প্রতিবেদন, খবর ধারা : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত কয়েকদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক করার একটি তথ্য ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া পোস্টে দাবি করা হচ্ছিল, চেয়ারম্যান পদের জন্য ন্যূনতম এইচএসসি এবং মেম্বার পদের জন্য এসএসসি পাস করতে হবে। তবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও সরকারের তথ্য অধিদপ্তর এই তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিত গুজব বলে নিশ্চিত করেছে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত কমিশন নেয়নি এবং এ বিষয়ে কোনো প্রজ্ঞাপন বা নির্দেশনাও জারি করা হয়নি। ডিজিটাল কারসাজির মাধ্যমে তৈরি করা একটি ভুয়া তালিকার ছবি ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তথ্য অধিদপ্তরও বিষয়টির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারা অনুযায়ী, ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নেই। আইনে শুধু বলা আছে, প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, বয়স ন্যূনতম ২৫ বছর হতে হবে এবং চেয়ারম্যানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ও মেম্বারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার হতে হবে। ফলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক ও যোগ্য নাগরিকই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্পর্শকাতর তথ্য বিশ্বাস না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে যে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গুজব ছড়ানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। গুজব রটনাকারীদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তাই নাগরিকদের সঠিক তথ্যের জন্য নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ও নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের ওপর ভরসা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।









