ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
খবর ধারা :
এ কোন বাংলাদেশ? জামায়াতের বাধায় রাত ২টায় গোপনে মুক্তিযোদ্ধার দাফন, কোদাল হাতে স্ত্রী-কন্যা! জুড়ীতে সিএনজি চালক বলাইকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ নদীতে, মা-মেয়ে গ্রেপ্তার – স্বীকারোক্তি বড়লেখা পৌরসভা চালায় আওয়ামী লীগ! যুবলীগ সভাপতি জালালের ১২ লাখ টাকা কেলেঙ্কারি ফাঁস তফসিলই হয়নি, তারিখও অজানা — এরই মধ্যে বড়লেখায় মেয়র প্রার্থীর ১৫ দফা ইশতেহার ঘোষণা, জনমনে প্রশ্ন শাহবাজপুরে ৩৬০ মিটারের রাস্তায় ৭০ লাখের টেন্ডার: এলটিএমের আড়ালে কাজ পেলেন আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান বড়লেখা পৌরসভা: বিএনপি আমলে কীভাবে কাজ পেলেন যুবলীগ নেতা শাহজাহান কমিশনার? সিঙ্গাপুর-ইন্দোনেশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী ছাত্রদলের গলা টিপে ধরার ছবিটি ভুয়া, গুজব ছড়াচ্ছেন জাকির হোসেন ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নিয়ে ভাইরাল তথ্য ‘গুজব’ সম্পর্ক মেনে নেয়নি পরিবার, ২ মাস পর লাশ হলো সুফিয়ান | বড়লেখা

শাহবাজপুর ফাইনাল বিতর্কে ‘উস্কানির’ অভিযোগ যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে

খবর ধারা নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ৬২ বার পড়া হয়েছে

শাহবাজপুর ফাইনাল বিতর্কে ‘উস্কানির’ অভিযোগ যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার:

শাহবাজপুর মিডবার ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২৬ (সিজন-৩) এর বিতর্কিত ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে এবার নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে একটি ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে। ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় এক ব্যক্তি স্লোগান দিয়ে উপস্থিত দর্শকদের উত্তেজিত করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে, আর তাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।

অভিযোগে বলা হচ্ছে, ওই ব্যক্তি হলেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের নেতা আনোয়ার হোসেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাকে স্লোগান দিতে শোনা যায়—
“খেলা দে, নইলে মোদের টাকা দে” এবং “দর্শকদের উপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দে।”

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এই ধরনের স্লোগান পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে এবং দর্শকদের একটি অংশ ক্ষিপ্ত হয়ে মাঠে প্রবেশ করে অতিথি মঞ্চে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাদের মতে, পরিকল্পিতভাবে এমন স্লোগান দিয়ে জনতাকে উসকে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে “খবর ধারা” আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, “এই বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিভিন্ন লাইভ ভিডিওতে দেখা যাবে, আমরা শেষের দিকে মাঠে প্রবেশ করেছি। আমি কোনো সময় বিশৃঙ্খলার শুরুতে মাঠে ছিলাম না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যে স্লোগান দিয়েছি, তা ছিল একেবারে শেষ মুহূর্তে, যখন দেখি শাহবাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হালিম ও উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি বদরুল ইসলামসহ অনেকেই মঞ্চে অবস্থান করছেন এবং তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। তখন আমি বলেছি—দর্শকদের উপর হামলা কেন, প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।”

নিজেকে একজন ক্রীড়াপ্রেমী হিসেবে দাবি করে আনোয়ার হোসেন বলেন, “এই বক্তব্যে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। যদি এ কারণে আমাকে যুবলীগের কর্মী বলা হয়, তাহলে আমার আর কিছু বলার নেই। আমি সত্যের পক্ষে কথা বলেছি মাত্র।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আপনারা যাচাই করে দেখুন, আমি কোনো উস্কানি দেইনি। ভবিষ্যতে যদি কোনো প্রমাণ পান, তাহলে যে কোনো সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন। তবে আমি আশা করি, যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্যই প্রকাশ করা হবে।”

এদিকে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা দাবি করেছেন, ঘটনাটির পেছনে পরিকল্পিতভাবে দর্শকদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে একের পর এক অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যে এখনো উত্তপ্ত শাহবাজপুরের ক্রীড়াঙ্গন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহবাজপুর ফাইনাল বিতর্কে ‘উস্কানির’ অভিযোগ যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৩:১৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

শাহবাজপুর ফাইনাল বিতর্কে ‘উস্কানির’ অভিযোগ যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার:

শাহবাজপুর মিডবার ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২৬ (সিজন-৩) এর বিতর্কিত ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে এবার নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে একটি ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে। ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় এক ব্যক্তি স্লোগান দিয়ে উপস্থিত দর্শকদের উত্তেজিত করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে, আর তাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।

অভিযোগে বলা হচ্ছে, ওই ব্যক্তি হলেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের নেতা আনোয়ার হোসেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাকে স্লোগান দিতে শোনা যায়—
“খেলা দে, নইলে মোদের টাকা দে” এবং “দর্শকদের উপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দে।”

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এই ধরনের স্লোগান পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে এবং দর্শকদের একটি অংশ ক্ষিপ্ত হয়ে মাঠে প্রবেশ করে অতিথি মঞ্চে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাদের মতে, পরিকল্পিতভাবে এমন স্লোগান দিয়ে জনতাকে উসকে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে “খবর ধারা” আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, “এই বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিভিন্ন লাইভ ভিডিওতে দেখা যাবে, আমরা শেষের দিকে মাঠে প্রবেশ করেছি। আমি কোনো সময় বিশৃঙ্খলার শুরুতে মাঠে ছিলাম না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যে স্লোগান দিয়েছি, তা ছিল একেবারে শেষ মুহূর্তে, যখন দেখি শাহবাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হালিম ও উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি বদরুল ইসলামসহ অনেকেই মঞ্চে অবস্থান করছেন এবং তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। তখন আমি বলেছি—দর্শকদের উপর হামলা কেন, প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।”

নিজেকে একজন ক্রীড়াপ্রেমী হিসেবে দাবি করে আনোয়ার হোসেন বলেন, “এই বক্তব্যে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। যদি এ কারণে আমাকে যুবলীগের কর্মী বলা হয়, তাহলে আমার আর কিছু বলার নেই। আমি সত্যের পক্ষে কথা বলেছি মাত্র।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আপনারা যাচাই করে দেখুন, আমি কোনো উস্কানি দেইনি। ভবিষ্যতে যদি কোনো প্রমাণ পান, তাহলে যে কোনো সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন। তবে আমি আশা করি, যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্যই প্রকাশ করা হবে।”

এদিকে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা দাবি করেছেন, ঘটনাটির পেছনে পরিকল্পিতভাবে দর্শকদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে একের পর এক অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যে এখনো উত্তপ্ত শাহবাজপুরের ক্রীড়াঙ্গন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।