ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
খবর ধারা :
বড়লেখা পৌরসভা চালায় আওয়ামী লীগ! যুবলীগ সভাপতি জালালের ১২ লাখ টাকা কেলেঙ্কারি ফাঁস তফসিলই হয়নি, তারিখও অজানা — এরই মধ্যে বড়লেখায় মেয়র প্রার্থীর ১৫ দফা ইশতেহার ঘোষণা, জনমনে প্রশ্ন শাহবাজপুরে ৩৬০ মিটারের রাস্তায় ৭০ লাখের টেন্ডার: এলটিএমের আড়ালে কাজ পেলেন আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান বড়লেখা পৌরসভা: বিএনপি আমলে কীভাবে কাজ পেলেন যুবলীগ নেতা শাহজাহান কমিশনার? সিঙ্গাপুর-ইন্দোনেশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী ছাত্রদলের গলা টিপে ধরার ছবিটি ভুয়া, গুজব ছড়াচ্ছেন জাকির হোসেন ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নিয়ে ভাইরাল তথ্য ‘গুজব’ সম্পর্ক মেনে নেয়নি পরিবার, ২ মাস পর লাশ হলো সুফিয়ান | বড়লেখা রাজনগরে ৮ ফুট মাটির নিচে গৃহবধূর লাশ, স্বামীর স্বীকারোক্তিতে উদ্ধার জাফরের অপরাধ কী? ৭০০ টাকার বিতর্কে নিহতের স্ত্রীর ভুল স্বীকার, লাইভে ১৫ হাজার দেন জাফর ইকবাল |

বড়লেখায় ১২ বছরের ভিকটিম শিশুর ছবি শেয়ার, আইন ভেঙে কারা করছে অপসাংবাদিকতার ব্যবসা?

খবর ধারা নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

শিশুর ছবি ভাইরাল

বড়লেখায় ১২ বছরের ভিকটিম শিশুর ছবি শেয়ার, আইন ভেঙে কারা করছে অপসাংবাদিকতার ব্যবসা?

শিশু সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করে ছবি প্রকাশ: অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে ‘খবর ধারা’র কঠোর অবস্থান

স্টাফ রিপোর্টার | বড়লেখা
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ১২ বছরের এক অবুঝ শিশুকে নির্যাতন ও পাচারের চেষ্টার ঘটনায় ভিকটিম শিশুর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ‘খবর ধারা’।

সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালা উপেক্ষা করে শিশুর পরিচয় প্রকাশ করাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি বড়লেখার শাহবাজপুর এলাকায় ঘটে যাওয়া আলোচিত এই ঘটনার পর কয়েকটি স্থানীয় ফেসবুক পেজ ও কথিত অনলাইন মিডিয়া শিশুটির মুখমণ্ডল স্পষ্ট রেখে ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করে। এতে শুধু শিশুটির পরিচয় ফাঁস হয়নি, বরং তার ভবিষ্যৎ সামাজিক ও মানসিক নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছে সচেতন মহল।

‘খবর ধারা’ বলছে, ভিউ ও ফলোয়ার বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় নেমে কিছু নামধারী সাংবাদিক ও পেজ অ্যাডমিন মানবিকতা ও আইনের সীমা সম্পূর্ণভাবে অতিক্রম করেছে। একজন নির্যাতিত শিশুর ছবি ও অসহায়ত্বকে পুঁজি করে কনটেন্ট বানানো কোনোভাবেই সাংবাদিকতা হতে পারে না।

বাংলাদেশের শিশু আইন-২০১৩ অনুযায়ী, অপরাধের শিকার কোনো শিশুর ছবি, নাম প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ যা তার পরিচয় শনাক্ত করতে সহায়তা করে। অথচ কিছু স্থানীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ফেসবুকভিত্তিক তথাকথিত মিডিয়া প্রকাশ্যে এই আইন লঙ্ঘন করেছে।

‘খবর ধারা’ মনে করে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু অনৈতিক নয়, বরং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ভিকটিম শিশুর ছবি প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও অনেকে একই ধরনের অপরাধে উৎসাহিত হবে।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, তারা শুরু থেকেই শিশুটির নিরাপত্তা ও গোপনীয়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতেও নৈতিক সাংবাদিকতার অবস্থান থেকে বিচ্যুত হবে না।

স্থানীয় প্রশাসন, সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ‘খবর ধারা’ বলেছে, অবিলম্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ভিকটিম শিশুর সকল ছবি ও ভিডিও সরিয়ে ফেলতে হবে এবং যারা এগুলো প্রচার করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনোভাবেই যেন নির্যাতিত শিশুর ছবি, ভিডিও শেয়ার না করা হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার অনুরোধ জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

বি.দ্র.: এই সংবাদে ব্যবহৃত কোনো ছবি বা তথ্যের মাধ্যমে শিশুর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। শিশু অধিকার ও ডিজিটাল নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বড়লেখায় ১২ বছরের ভিকটিম শিশুর ছবি শেয়ার, আইন ভেঙে কারা করছে অপসাংবাদিকতার ব্যবসা?

আপডেট সময় : ১২:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বড়লেখায় ১২ বছরের ভিকটিম শিশুর ছবি শেয়ার, আইন ভেঙে কারা করছে অপসাংবাদিকতার ব্যবসা?

শিশু সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করে ছবি প্রকাশ: অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে ‘খবর ধারা’র কঠোর অবস্থান

স্টাফ রিপোর্টার | বড়লেখা
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ১২ বছরের এক অবুঝ শিশুকে নির্যাতন ও পাচারের চেষ্টার ঘটনায় ভিকটিম শিশুর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ‘খবর ধারা’।

সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালা উপেক্ষা করে শিশুর পরিচয় প্রকাশ করাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি বড়লেখার শাহবাজপুর এলাকায় ঘটে যাওয়া আলোচিত এই ঘটনার পর কয়েকটি স্থানীয় ফেসবুক পেজ ও কথিত অনলাইন মিডিয়া শিশুটির মুখমণ্ডল স্পষ্ট রেখে ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করে। এতে শুধু শিশুটির পরিচয় ফাঁস হয়নি, বরং তার ভবিষ্যৎ সামাজিক ও মানসিক নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছে সচেতন মহল।

‘খবর ধারা’ বলছে, ভিউ ও ফলোয়ার বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় নেমে কিছু নামধারী সাংবাদিক ও পেজ অ্যাডমিন মানবিকতা ও আইনের সীমা সম্পূর্ণভাবে অতিক্রম করেছে। একজন নির্যাতিত শিশুর ছবি ও অসহায়ত্বকে পুঁজি করে কনটেন্ট বানানো কোনোভাবেই সাংবাদিকতা হতে পারে না।

বাংলাদেশের শিশু আইন-২০১৩ অনুযায়ী, অপরাধের শিকার কোনো শিশুর ছবি, নাম প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ যা তার পরিচয় শনাক্ত করতে সহায়তা করে। অথচ কিছু স্থানীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ফেসবুকভিত্তিক তথাকথিত মিডিয়া প্রকাশ্যে এই আইন লঙ্ঘন করেছে।

‘খবর ধারা’ মনে করে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু অনৈতিক নয়, বরং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ভিকটিম শিশুর ছবি প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও অনেকে একই ধরনের অপরাধে উৎসাহিত হবে।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, তারা শুরু থেকেই শিশুটির নিরাপত্তা ও গোপনীয়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতেও নৈতিক সাংবাদিকতার অবস্থান থেকে বিচ্যুত হবে না।

স্থানীয় প্রশাসন, সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ‘খবর ধারা’ বলেছে, অবিলম্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ভিকটিম শিশুর সকল ছবি ও ভিডিও সরিয়ে ফেলতে হবে এবং যারা এগুলো প্রচার করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনোভাবেই যেন নির্যাতিত শিশুর ছবি, ভিডিও শেয়ার না করা হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার অনুরোধ জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

বি.দ্র.: এই সংবাদে ব্যবহৃত কোনো ছবি বা তথ্যের মাধ্যমে শিশুর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। শিশু অধিকার ও ডিজিটাল নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।