সিঙ্গাপুর-ইন্দোনেশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী
- আপডেট সময় : ০৯:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
জ্বালানি নিরাপত্তা ও সবুজ অর্থনীতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সিঙ্গাপুর-ইন্দোনেশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব
নিজস্ব প্রতিবেদন, খবর ধারা :
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংসদীয় ফোরাম অন ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্ট ট্রানজিশন (SARPF) আয়োজিত পার্লামেন্টারিয়ানস স্টাডি ট্যুর ২০২৬ শেষে সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী। গত ১২ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সফরে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সফরের মূল প্রতিপাদ্য ছিল জ্বালানি নিরাপত্তা, সবুজ অর্থনীতি, ন্যায়সঙ্গত জ্বালানি রূপান্তর এবং টেকসই উন্নয়নে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে এই সফর জলবায়ু কূটনীতিতে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সিঙ্গাপুর পর্বে ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী দেশটির গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহ যেমন মেরিনা ব্যারেজ, এনার্জি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অ্যাট এনটিইউ, ন্যাশনাল ক্লাইমেট চেঞ্জ সেক্রেটারিয়েট, মিনিস্ট্রি অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, মনিটারি অথরিটি অব সিঙ্গাপুর এবং সিঙ্গাপুর সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রমে অংশ নেন। সেখানে জলবায়ু নীতি, কার্বন মার্কেট ব্যবস্থাপনা, টেকসই অর্থায়ন এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নিয়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেন তিনি।
এরপর ইন্দোনেশিয়া পর্বে তিনি আসিয়ান ইন্টার-পার্লামেন্টারি অ্যাসেম্বলি, আসিয়ান সেক্রেটারিয়েট, ন্যাশনাল এনার্জি কাউন্সিল এবং আসিয়ান সেন্টার ফর এনার্জির সঙ্গে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠকগুলোতে আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আসিয়ান পাওয়ার গ্রিড, জলবায়ু অর্থায়ন এবং জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ন্যায়সঙ্গত উত্তরণের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এই আন্তর্জাতিক সফর বাংলাদেশের সংসদীয় কূটনীতিকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও জ্বালানি খাতে ভবিষ্যৎ জাতীয় নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর এই সক্রিয় অংশগ্রহণ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।









